
অনলাইন ডেস্কঃ
এবারের ডাকসু নির্বাচন জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সাবেক ডাকসু নেতারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সমালোচনা করে তারা বলেন, ২৪ এর চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার বিপরীতে বিভাজন তৈরি করা হয়েছে। একক কাউকে সন্তুষ্ট করার ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান তাদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু। বাংলাদেশে যার রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। তবে, এর ইতিহাস যেমন গৌরবময়, তেমনি রয়েছে বিতর্কও। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে সাবেক নেতারা একদিকে যেমন তুলে ধরছেন ইতিবাচক দিকগুলো, অন্যদিকে থাকছে শঙ্কা ও সমালোচনাও।
দেশের রাজনৈতিক পটপরির্তনের পর এবারের নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। দু’বারের সাবেক ডাকসু ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, যেখানে ২৪ এর চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা শিক্ষার্থীদের, সেখানে বিভাজন তৈরি করছে খোদ বিশ্ববিদ্যালয়।
স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকসু জিএস ছিলেন মাহবুব জামান। সাবেক এই নেতা মনে করেন, এই নির্বাচনের প্রভাব পড়বে জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে।
ডাকসুর সবশেষ ভিপি নুরুল হক নূর মনে করেন, দলীয় বিবেচনায় নয়, ডাকসু নেতৃত্ব তৈরি হয় শিক্ষার্থীদের কর্মকাণ্ড দিয়ে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার প্রত্যাশা তার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচন হয়েছে ৩৭ বার। আর স্বাধীনতার পর মাত্র সাতবার হয় ডাকসু নির্বাচন। সবশেষ ভোট হয় ২০১৯ সালে।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ৮ম বারের মত যে ডাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবার প্রত্যাশা সাবেক ডাকসু নেতাদের।